Text size A A A
Color C C C C
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান মন্ত্রী এবং পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান হিসাবে ১৯৭৩ সালে প্রথম পঞ্চ বার্ষিকী(১৯৭৩-১৯৭৭) পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন । প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় তিনি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা গ্রামীণ প্রান্তিক দরিদ্র জনগোষ্ঠীরঅর্থনৈতিক মুক্তির উপর সর্বোশেষ গুরুত্বারোপ করেন । গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাপূর্ব অবহেলিত সমাজসেবা কার্যক্রমকে স্বাধীন দেশের উপযোগী, গতিশীল এবং প্রাণবন্ত করে তোলেন । এজন্য গ্রামোন্নয়ন কর্মসূচির আওতায়  Pilot  project  forextended  rural  social  upliftment প্রবর্তনের জন্য এ পঞ্চ-বার্ষিকী পরিকল্পনায় ৯০ (নববই ) লক্ষ টাকার সংস্থান রাখেন ।

একই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৪ সালের মার্চ মাসে দেশের তৎকালীন ১৯ টি জেলায় (Rural  Social  Services (RSS)বা পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম প্রবর্তন করেন। এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য ছিল সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণেরমাধ্যমে পল্লীর জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং ক্ষমতায়ন । বাংলাদেশের ইতিহাসে এ কার্যক্রমটি সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের প্রধান পথিকৃৎ হিসাবে সুবিদিত এবং দেশ বিদেশে ব্যপক প্রশংসিত । বাংলাদেশে ১৯৭৩-৭৭ মেয়াদী এ প্রকল্পটি শতভাগ সাফল্য অর্জন করায় সরকার দেশের সকল উপজেলাকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনে এবং রাজস্ব বাজেটে এ কর্মসূচীটি অন্তভুক্ত করে ।

১৯৭৭ সালে যুব সেবা প্রকল্প এবং আর,এস,এস কার্যক্রমের  মাধ্যমে আদমদীঘি সমাজসেবা  কার্যালয়ে কাযক্রম শুরু হয় । ১৯৮৮ ইং সালে উপজেলা পরিষদের জায়গায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের বরাদ্দ প্রাপ্তির ফলে নিজস্ব ভবন নির্মান করা  হয় । বর্তমানে বয়স্ক ভাতা ,বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তা দুঃস্থ মহিলা ভাতা,মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা .অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা,প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি  সহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সমাজসেবা অফিসের পরিচিতি ঘটে ।

দপ্তর প্রধানের পদবীঃ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার ।

ছবি